২০ হাজার মানুষের এরপর দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয়দের সহায়তা, স্বেচ্ছাশ্রম, ইউনিয়ন পরিষদ, বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সাংসদের আর্থিক অনুদানে নির্মাণ করা হতো সাঁকোটি। চলতি বছরও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।ভরসা বুড়াইল সাঁকো এবার চালু হলো

Sayed RokySayed Roky
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:৪৩ PM, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

বন্যার পরে এবং আগে প্রতিবছর চরবাসীর চিন্তা একটাই- খোর্দ্দার বুড়াইল সাঁকোটির ওপর দিয়ে সারা বছর পরিবার-পরিজন নিয়ে চলাচল করা যাবে কি-না। আর তখনই সাঁকোটির সংস্কার ও মেরামত নিয়ে দাবি ওঠে। কে সাঁকোক মেরামত করবে তা নিয়ে চরবাসির ভাবনার শেষ নাই।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোদ্দা, চর খোদ্দা, লাঠশালা, বৈরাগী পাড়া, মন্ডলপাড়া গ্রাম ও কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বজড়া এবং গুনাইগাছ ইউনিয়নের চরবিরহীম,
নাগড়াকুড়া, কালপানি, সাধুয়া, দামারহাট, হুকাডাঙ্গা ও থেথরাই গ্রামের কমপক্ষে বিশ হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত খোর্দ্দা ক্যানেলের (তিস্তার শাখা নদী) উপর বুড়াইল সাঁকো দিয়ে চলাচল করে।

দুই উপজেলার মানুষের সেতুবন্ধনের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে সাঁকো। এ ছাড়া হাজারো স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং দুই উপজেলায় সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা প্রতিদিন চলাচল করে থাকেন সাঁকোর উপর দিয়ে।

চলতি বছর নড়বড়ে সাঁকোটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানান স্থানীয়রা। ইউনিয়ন পরিষদের সাথে সমন্বয় করে স্ট্যার্ট ফান্ড বাংলাদেশের অর্থায়নে স্বেচ্ছাশ্রমে ক্যানেলের ওপর নতুন করে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসকেএস ফাউন্ডেশন।

গত বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নিবার্হী অফিসার কাজী লুতফুল হাসান
সাঁকোটির উদ্বোধন করেন। জানা গেছে, কংক্রিটের খুঁটির ওপর লোহার পাতের মাঝে কাঠের পাঠাতন বসিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ১০০ মিটার লম্বা সাঁকোটি। এতে ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

আশরাফুল আলম (এসকেএস ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা) বলেন, স্ট্যার্ট ফান্ড বাংলাদেশের অর্থায়নে বন্যায় সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান জানান, দীর্ঘ দেড় মাস বন্যার পানিতে ডুবে ছিল চরবাসী। সে কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাঁকোটি চালু হওয়ায় তারা উপকৃত হবে। এতে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক সহজ হয়ে উঠবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :