প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম হোসেন বলেছেন,
আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা সম্ভব না হলে অটোপাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই বলে তিনি ঈঙ্গিত দিয়েছেন।

আজ রবিবার সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সব কথা বলেন।

করোনা ভাইরাসের কারণে গত মার্চ মাস থেকেই দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আটকে আছে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাগুলোও। পহেলা এপ্রিল এ অনুষ্ঠিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষাও আটকে আছে এই ভাইরাসের জন্য। তাছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া ছাড়া কোনোরকম পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানান, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশ। এটি বৃদ্ধি করতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সিনিয়র সচিব বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভিত্তিক মূল্যায়ন করতে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। অক্টোবর ও নভেম্বরকে কেন্দ্র করে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। স্কুল খুললে তার উপর পরীক্ষা নিয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেনির শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়ন করা হবে। স্কুল খোলা সম্ভব না হলে আমাদের বিকল্প কোন উপায় নিয়ে ভাবতে হবে।

সচিব বলেন, আমরা ঝড়ে পড়া রোধ করতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি। বয়স্কদের মধ্যে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করা হবে। করোনার মধ্যে অনেক কিন্টারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে যেতে পারে সেসব স্কুলের আশেপাশে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকবে সেসব স্কুলে ভর্তি করাতে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি।

আপনার মতামত লিখুন :