নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হয়ে এখনো ২৫ জন শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। জানা গেছে, এই ২৫ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি জানান, বেশিরভাগের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৯০ শতাংশের বেশি পুড়ে গেছে।

ডা. সামন্তলাল সেন বলেন, গুরুতর দগ্ধ আরো ২৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি গভীর শোকও প্রকাশ করেছেন।

যে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা হলেন ফরিদ (৫৫), শেখ ফরিদ (২১), মনির (৩০), মাইনুদ্দিন (১২), মো. রাশেদ (৩০), নয়ন (২৭), আবুল বাশার মোল্লা (৫১), বাহার উদ্দিন (৫৫), শামীম হাসান (৪৫), জয়নাল (৫০), মো. নাদিম (৪৫), হান্নান (৫০), আব্দুস সাত্তার (৪০), জুলহাস উদ্দিন (৩০), আমজাদ (৩৭), আব্দুল মালেক (ইমাম) (৬০), কাঞ্চন হাওলাদার (৫০), মামুন (২৩) এবং ইমরান (৩০), আলী মাস্টার (৫৫), মো. কেনান (২৪), নজরুল ইসলাম (৫০), রিফাত (১৮), আব্দুল আজিজ (৪০), মিজান (৪০)।

আর এপর্যন্ত যে ১২ জন মারা গেছেন তাঁরা হলেন মসজিদের মুয়াজ্জিন দেলোয়ার (৪৮), ইব্রাহিম (৪৩), জুনায়েদ (১৭), জামাল (৪০), কুদ্দুস ব্যাপারে (৭২), সাব্বির (২১), হুমায়ুন (৭০), মোস্তফা কামাল (৩৪), জুবায়ের (১৮), জুয়েল (৭) এবং মো. রাসেল (৩৪)। এরমধ্যে জুয়েল, দেলোয়ার ও ইব্রাহিম গতরাতে মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসাইন ইমাম।

গতকাল শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাম জামে মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র-এসিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর দগ্ধ ৩৭ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।  আহতরা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আপনার মতামত লিখুন :