মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগের লক্ষ্য একটাই, টাকা বানাও, দুর্নীতি করো, মেগা প্রজেক্ট করো, মেগা লুট করো, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরকম ঘটনা দেখা যায় না, বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাক্ড হয়ে গেলো। প্রায় ৮০০ মিলিয়নস গেলো, কি হয়েছে? কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হয়েছে, কারো কোনো শাস্তি হয়েছে? হয়নি।

আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হয় এম সাইফুর রহমানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘এম সাইফুর রহমানের স্মৃতি পরিষদে’র উদ্যোগে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে বাংলাদেশের অর্থনীতি একদম নিচের দিকে যাচ্ছে, মানে ডাউন ওয়ার্ডস। আমি ছোট একটা ঘটনা বলতে চাই, আওয়ামী লীগের আমল বাকশালের আগে আগেই, যখন শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি। সেই সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন ড. মোজাহেরুল হক। তিনি প্রধান অতিথি শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবকে সামনে রেখে বলেছিলেন যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি তীব্র গতিতে রসাতলে যাচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আবার এখন এই কথা বলতে হয় যে অর্থনীতিকে শক্ত ভিতের ওপরে দাঁড় করিয়ে জিয়াউর রহমান ও সাইফুর রহমান উপরে নিয়ে গিয়েছেন। সেটাকে এখন টেনে নিচের দিকে ওই রসাতলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেটা হচ্ছে আজকের সেই অনির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে।

তিনি আরো বলেন, দেখুন একজন ব্যাংকের চেয়ারম্যান তিনি জনতার মঞ্চের নেতা ছিলেন, একটা নতুন ব্যাংকও তৈরি করেছিলেন, কয়েকদিন আগে দেখলাম যে, সেই ব্যাংকের এমডি কারাগারে। সেই ব্যাংকের থেকে তিনি এর মধ্যেও ২ হাজার কোটি টাকা নিয়েছেন। এই সমস্ত ঘটনা ঘটছে। আজকে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে রসাতলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এম সাইফুর রহমানকে বিপ্লবী সংস্কারক হিসেবে অভিহিত করে ফখরুল বলেন, বলা যেতে পারে আসলে উনি একজন বিপ্লবী সংস্কারক ছিলেন। অনেক সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন যেটা খুব পপুলার ছিলো না। যে ভিএটি ইন্টুডিউশ করেছিলেন এটা কিন্তু ওই সময় পপুলার ঘটনা ছিল না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছিলেন স্বপ্নদ্রষ্টা আর তার সৈনিক ছিলেন সাইফুর রহমান সাহেব।

আজকের এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, এজেডএম জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌর সভার চেয়ারম্যান জি কে গউছ, যুক্তরাজ্য বিএনপি শাখার সভাপতি এম এ মালেক এবং প্রয়াত নেতা সাইফুর রহমানের ছেলে সাবেক সাংসদ এম নাসের রহমান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :