খালেদা জিয়া প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেঃ শেখ হাসিনা

Yousuf AsrafYousuf Asraf
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:১৯ PM, ১৬ অগাস্ট ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ বিকেলে জাতির পিতার ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির ভাষণে বলেন। ‘অনেকে ভুলে গেছে যে, খালেদা জিয়া ২০০১ সালে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে বহু মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ মেজর জিয়া এবং তাঁর স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দেশে খুনের রাজনীতি শুরু করা এবং খুনিদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনিদেরকে জিয়া ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ দিয়ে যেমন রক্ষাকবচ দিয়েছিলেন, তেমনি খালেদা জিয়াও অপারেশন ক্লিনহার্টের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীসহ শত শত মানুষ হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে গেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাঁর স্বামী (মেজর শহীদ জিয়া) যা করেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি, আর সে এসে (খালেদা জিয়া) নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে তাদের ইনডেমনিটি দিয়ে গেছে।’ ‘অনেকে ভুলে গেছে যে, খালেদা জিয়া ২০০১ সালে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে বহু মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে,’ যোগ করেন তিনি।

জাতির পিতার ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন।
করোনা পরিস্থিতির কারণে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত এই স্মরণসভায় দলের সভাপতি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের সাহায্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ) মূল অনুষ্ঠানের সঙ্গে যোগদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ) মূল অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। ঢাকা, ১৬ আগস্ট। ছবি: পিআইডি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ) মূল অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। ঢাকা, ১৬ আগস্ট। ছবি: পিআইডি
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তাঁর স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দেশে খুনের রাজনীতি শুরু এবং খুনিদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, জিয়া ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের যেমন রক্ষাকবচ দিয়েছিলেন, তেমনি খালেদা জিয়াও অপারেশন ক্লিনহার্টের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ শত শত মানুষ হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাঁর স্বামী যা করেছে (সাবেক সেনাশাসক জিয়া) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি, আর সে এসে (খালেদা জিয়া) নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে তাদের ইনডেমনিটি দিয়ে গেছে।’ ‘অনেকে ভুলে গেছে যে, খালেদা জিয়া ২০০১ সালে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে বহু মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে,’ যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ বিকেলে জাতির পিতার ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন।
করোনা পরিস্থিতির কারণে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত এই স্মরণসভায় দলের সভাপতি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের সাহায্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ) মূল অনুষ্ঠানের সঙ্গে যোগদান করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে আমাদের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী, যেখানেই যাকে পেয়েছে নির্যাতন করে হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের রিসার্চ সেন্টার দখল, বইপত্র, ৩০০ ফাইল, কম্পিউটার হার্ডডিস্ক এবং নগদ টাকা লোপাটসহ রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করে তিনি বলেন, সেই হত্যার বিচার হবে না, এই ইনডেমনিটিও খালেদা জিয়া দিয়ে গেছেন।

‘শুধু তা–ই নয়, যে পাশা (বঙ্গবন্ধুর খুনি) মৃত্যুবরণ করেছে তাকে প্রমোশন দিয়ে, তার সমস্ত টাকাপয়সা স্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। যে খায়রুজ্জামানের (অপর খুনি) চাকরি চলে গিয়েছিল কিন্তু খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাকরিতে পুনর্বহাল করে এবং প্রমোশন দেয়’, যোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, সামনেই খায়রুজ্জামানের খুনের মামলার বিচারের রায় হওয়ার কথা থাকলেও তাকে প্রমোশন দিয়ে সবাইকে বুঝিয়ে দেয় যে তাকেই সে (খালেদা জিয়া) সমর্থন করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। ‘এর অর্থটা কী দাঁড়ায়?’ প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জিয়া ও খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা আরও বলেন, এভাবেই তাঁরা হত্যার রাজনীতি এ দেশে শুরু করেছেন।

দলীয় কার্যালয় থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সভার প্রারম্ভিক বক্তৃতা করেন। আরও বক্তৃতা করেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, কেন্দ্রীয় সদস্য আখম জাহাঙ্গীর হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মান্নাফি এবং মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।

দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ’৭৫–এর ১৫ আগস্ট নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :