‘ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে দিতে গিয়ে নিজেরাই মুছে গেছে’

Sayed RokySayed Roky
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:২৭ AM, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে দিতে গিয়ে নিজেরাই মুছে গেছে। ক্ষুদিরাম ঝুলেছিলেন ফাঁসির দড়িতে, স্বাধীনতা আসেনি। প্রীতিলতা আত্মাহুতি দিতে বাধ্য হয়েছেন, স্বাধীনতা আসেনি।

সিরাজউদ্দৌলা স্বীকার হয়েছিলেন বিশ্বাসঘাতকতার, স্বাধীনতা আসেনি। এ বাংলায় সাঁওতাল বিদ্রোহসহ অসংখ্য আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে, স্বাধীনতা আসেনি। হাজার বছর ধরে শোষিত এই দেশের টুঙ্গিপাড়া থেকে বাঙালির মুক্তির দূত হিসেবে উঠে এলেন শেখ মুজিবুর রহমান। সুতরাং তিনি নিঃসন্দেহে সমগ্র বাঙালি ইতিহাস, বাঙালি সত্তার একজন মুক্তির দূত। এই বীরকে একসময় এ দেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল একটি মহল। এখন তারাই এ দেশের ইতিহাস থেকে মুছে যাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে “বঙ্গবন্ধু বাঙালির চেতনার বাতিঘর” শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।

“বঙ্গবন্ধু বাঙালির চেতনার বাতিঘর” অনলাইন আলোচনা সভার আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে। হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

বাঙালির চেতনার বাতিঘর অনলাইন আলোচনা সভায় আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর-রশিদ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের
ট্রেজারার অধ্যাপক মো. জালাল উদ্দিন এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএইচএম মোস্তাফিজুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার দে, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন,  সিন্ডিকেট সদস্য কলা অনুষদের  ডিন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সাহাবউদ্দিন, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন ,নারায়ণগঞ্জের খানপুর তল্লা এলাকার মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনাটি নাশকতা না দুর্ঘটনা সেটি তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে। ইতোমধ্যে ওই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে তাদের ধৈর্য ধরার আহবান জানিয়ে বলেন, মসজিদে এসি বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এবং
তিনি দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :